কারক

কারক বিস্তারিত আলোচনা

কারক বিস্তারিত আলোচনা

কারক

  • কারক শব্দটির অর্থ- যা ক্রিয়া সম্পাদন করে।
  • কারক ব্যাকরণের শব্দতত্ত্বে আলোচিত হয়
  • শব্দটি কৃৎ প্রত্যয় দ্বারা সাধিত হয়
  • এটি সংস্কৃত ভাষার শব্দ ।
  • বাক্যস্থিতক্রিয়াপদের সঙ্গে নামপদের যে সম্পর্ক তাকে কারক বলে।
  • কারক ছয় প্রকার :
  • ১. কর্তৃকারক ২. কর্ম কারক ৩. করণ কারক ৪. সম্প্রদান কারক ৫. অপাদান কারক ৬. অধিকরণ কারক
  • বাক্যস্থিত একটি শব্দের সঙ্গে অন্য শব্দের অন্বয় সাধনের জন্য শব্দের সঙ্গে যে সকল বর্ণ যুক্ত হয় তাদের বিভক্তি বলে।

যেমন : ছাদ বসে মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন। বাক্যটিতে ছাদ (ছাদ+এ বিভক্তি), মা (মা+০ বিভক্তি), শিশুকে (শিশু+কে বিভক্তি), চাঁদ (চাঁদ+০ বিভক্তি) ইত্যাদি পদে বিভিন্ন বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। বিভক্তিগুলো ক্রিয়াপদের সঙ্গে নামপদের সম্পর্ক স্থাপন করেছে।

  • বিভক্তি চিহ্ন স্পষ্ট না হলে সেখানে শূন্যবিভক্তি আছে মনে করা হয়।
  • বিভক্তি ২ প্রকার। যেমন : শব্দবিভক্তি বা নামবিভক্তি ও ক্রিয়াবিভক্তি

০ শূন্য বিভক্তি (অথবা অ–বিভক্তি), এ, (য়), তে (এ), কে (রে), র, (েরা)- কয়টিই খাঁটি বাংলা শব্দবিভক্তি। এছাড়া বিভক্তি স্থানীয় কয়েকটি অব্যয় শব্দ কারক- সম্বন্ধ নির্ণয়ের জন্য বাংলায় প্রচলিত রয়েছে। যেমন : দ্বারা, দিয়ে, হতে, থেকে ইত্যাদি।

  • বাংলা শব্দবিভক্তি সাত প্রকার : প্রথমা, দ্বিতীয়, তৃতীয়া, চতুর্থী, পঞ্চমী, ষষ্ঠী এবং সপ্তমী।
  • একবচন এবং বহুবচন ভেদে বিভক্তিগুলোর আকৃতিগত পার্থক্য দেখা যায়। যেমন :

বিভক্তির আকৃতি

বিভক্তিএকবচনবহুবচন
প্রথমা০, অ, এ, (য়), তে, এতেরা, এরা, গুলি (গুলো), গণ
দ্বিতীয়া:, কে, রে (এরে), এ, য়, ত্দিগে, দিগেকে, দিগেরে, *দের
তৃতীয়া০, অ, এ, তে, দ্বারা, দিয়া (দিয়ে), কর্তৃক, দিয়া, দিগেকে দ্বারা, দিগদিগের দিয়া, দের, কর্তৃক, গুলির দ্বারা, গুলিকে দিয়ে, *গুলো দিয়ে, গুলি কর্তৃক, *দের দিয়ে
চতুর্থীকে , রে ,এরে ( জন্য বা নিমিত্ত অর্থে )
পঞ্চমীএ (য়ে, য়), হইতে, *থেকে, *চেয়ে, *হতে, হইতে,দিগের চেয়ে,দিগ হইতে, দের হইতে, গুলি হইতে, গুলির চেয়ে, *দের হতে, *দের থেকে, *দের চেয়ে
ষষ্ঠীর, এর*দিগের, দের, গুলির, গণের, গুলোর
সপ্তমীএ, (য়), য়, তে, এতেদিগে, দিগেতে, গুলিতে, গণে, গুলির মধ্যে, গুলোতে, গুলোর মধ্যে
  • তৃতীয়া এবং পঞ্চমী বিভক্তি সংস্কৃত বিভক্তি । এবং বাক্যে স্বাধীনভাবে ব্যবহার হয় ।
  • তারকা চিহ্নিত বিভক্তিগুলো এবং বন্ধনীতে লিখিত শব্দ চলিত ভাষায় ব্যবহৃত হয়

বিভক্তিযোগের নিয়ম

  • ক) অপ্রাণী বা এতর প্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনে ‘রা’ যুক্ত হয় না; গুলি, গুলো যুক্ত হয়। যেমন : পাথরগুলো, গরুগুলি
    • খ) অপ্রাণিবাচক শব্দের উত্তর ‘কে’ বা ‘রে’ বিভক্তি হয় না, শূন্যবিভক্তি হয়। যেমন : কলম দাও।
    • গ) স্বরান্ত শব্দের উত্তর ‘এ’ বিভক্তির রূপ হয়- ‘য়’ বা ‘য়ে’। ‘এ’ স্থানে ‘তে’ বিভক্তিও যুক্ত হতে পারে। যেমন : মা+এ=মায়ে, ঘোড়া+এ=ঘোড়ায়, পানি+তে=পানিতে।
    • ঘ) অ-কারান্ত ও ব্যঞ্জনান্ত শব্দের উত্তর প্রায়ই ‘রা’ স্থানে ‘এরা’ হয় এবং ষষ্ঠী বিভক্তির ‘র’ স্থলে ‘এর’ যুক্ত হয়। যেমন:
  • লোক+রা=লোকেরা
  • বিদ্বান (ব্যঞ্জনান্ত)+রা=বিদ্বানেরা
  • মানুষ+এর=মানুষের
  • লোক+এর=লোকের
  • কিন্তু অ-কারান্ত, আ-কারান্ত এবং এ-কারান্ত খাঁটি বাংলা শব্দের ষষ্ঠীর এক বচনে সাধারণ ‘র’ যুক্ত হয়, ‘এর’ যুক্ত হয় না। যেমন : বড়র, মামার, ছেলের।
  • কারক : বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে নামপদের যে সম্পর্ক তাকে কারক বলে। যেমন : বেগম সাহেবা প্রতিদিন ভাঁড়ার থেকে নিজ হাতে গরিবদের চাল দিতেন।
  • কর্তৃকারক : বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্তৃকারক বলে। যেমন : মেয়েরা ফুল তোলে।
  • কর্মকারক : যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে। যেমন : নাসিমা ফুল তুলছে।
  • করণ কারক : ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলে। যেমন : নীরা কলম দিয়ে লেখে।
  • সম্প্রদান কারক : যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে দান, অর্চনা, সাহায্য ইত্যাদি করা হয় তাকে সম্প্রদান কারক বলে। ভিখারিকে ভিক্ষা দাও। সৎপাত্রে কন্যা দান কর।
  • অপাদান কারক : যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয় তাকে অপাদান কারক বলে। যেমন : গাছ থেকে পাতা পড়ে। মেঘ থেকে বৃষ্টি পড়ে।
  • অধিকরণ কারক : ক্রিয়া সম্পাদনের কাল/সময় এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে। যেমন : আমরা রোজ স্কুলে যাই।
  • ভাবাধিকরণ কারক : যদি কোনো ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য অন্য ক্রিয়ার কোনোরূপ ভাবের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে তবে তাকে ভাবাধিকরণ কারক বলে। যেমন : সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়। কান্নায় শোক মন্দীভূত হয়।
  • ঐকদেশিক আধারাধিকরণ : বিশাল স্থানের যে কোনো অংশে ক্রিয়া সংঘটিত হলে তাকে ঐকদেশিক আধারাধিকরণ কারক বলে। যেমন : পুকুরে মাছ আছে।
  • অভিব্যাপক আধারাধিকরণ : উদ্দিষ্ট বস্তু যদি সমগ্র আধার ব্যাপ্ত করে বিরাজমান থাকে তাকে অভিব্যাপক আধারাধিকরণ কারক বলে। যেমন : তিলে তৈল আছে। নদীতে পানি আছে।
  • বৈষয়িক অধিকরণ : বিষয় বিশেষে বা কোনো বিশেষ গুণে কারও কোনো দক্ষতা বা ক্ষমতা থাকলে তাকে বৈষয়িক অধিকরণ কারক বলে। যেমন : রাকিব অঙ্কে কাঁচা কিন্তু ব্যাকরণে ভালো।
  • কর্তৃকারকের মুখ্যকর্তা : যে নিজে নিজেই ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে মুখ্যকর্তা বলে। যেমন : ছেলেরা ফুটবল খেলছে। মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে।
  • কর্তৃকারকের প্রযোজক কর্তা : মূলকর্তা যখন অন্যকে কোনো কাজে নিয়োজিত করে তা সম্পন্ন করায় তখন তাকে প্রযোজক কর্তা বলে। যেমন: শিক্ষক ছাত্রদের ব্যাকরণ পড়াচ্ছেন।
  • কর্তৃকারকের প্রযোজ্য কর্তা : মূলকর্তার করণীয় কার্য যাকে দিয়ে সম্পাদিত হয় তাকে প্রযোজ্য কর্তা বলে। যেমন : রাখাল (প্রযোজক) গরুকে (প্রযোজ্য কর্তা) ঘাস খাওয়ায়।
  • কর্তৃকারকের ব্যতিহার কর্তা : কোনো বাক্যে যে দুটো কর্তা একত্রে এক জাতীয় ক্রিয়া সম্পাদন করে তাদের ব্যতিহার কর্তা বলে। যেমন : বাঘে-মহিষে এক ঘাটে জল খায়। রাজায়-রাজায় লড়াই, উলুখাগড়ার প্রাণান্ত ।
  • বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্তৃকারক বলে।
  • ক্রিয়ার সঙ্গে ‘কে’ বা ‘কারা’ যোগ করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তাই কর্তৃকারক। যেমন : খোকা বই পড়ে (কে পড়ে?)। খোকা- কর্তৃকারক। মেয়েরা ফুল তোলে (কারা তোলে?)। মেয়েরা-কর্তৃকারক ।

কর্তৃকারকের প্রকারভেদ

  • ক)কর্তৃকারকবাক্যেরক্রিয়াসম্পাদনেরবৈচিত্র্যবাবৈশিষ্ট্যঅনুযায়ীচারপ্রকারেরহয়েথাকে।
    • মুখ্য কর্তা : যে নিজে নিজেই ক্রিয়া সম্পাদন করে সে মুখ্য কর্তা। যেমন : ছেলেরা ফুটবল খেলছে। মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে।
    • প্রযোজক কর্তা : মূল কর্তা যখন অন্যকে কোনো কাজে নিয়োজিত করে তা সম্পন্ন করায় তখন তাকে প্রযোজক কর্তা বলে। যেমন : শিক্ষক ছাত্রদের ব্যাকরণ পড়াচ্ছেন।
    • প্রযোজ্য কর্তা : মূল কর্তার করণীয় কার্য যাকে দিয়ে সম্পাদিত হয় তাকে প্রযোজ্য কর্তা বলা হয়। ওপরের বাক্যে ‘ছাত্র’ প্রযোজ্য কর্তা। তদ্রূপ- রাখাল (প্রযোজক) গরুকে (প্রযোজ্য কর্তা) ঘাস খাওয়ায়।
    • ব্যতিহার কর্তা : কোনো বাক্যে যে দুটো কর্তা একত্রে এক জাতীয় ক্রিয়া সম্পাদন করে তাদের ব্যতিহার কর্তা বলে। যেমন : বাঘে-মহিষে এক ঘাটে জল খায়। রাজায়-রাজায় লড়াই, উলুখাগড়ার প্রাণান্ত।

খ) বাক্যের বাচ্য বা প্রকাশভঙ্গি অনুসারে কর্তা তিন রকম হতে পারে। যেমন :

  1. কর্মবাচ্যেরকর্তা (কর্মপদের প্রাধান্যসূচক বাক্যে) : পুলিশ দ্বারা চোর ধৃত হয়েছে।
    1. ভাববাচ্যের কর্তা (ক্রিয়ার প্রাধান্যসূচক বাক্যে) : আমার যাওয়া হবে না।
    1. কর্ম–কর্তৃবাচ্যের কর্তা (বাক্যে কর্মপদই কর্তৃস্থানীয়) : বাঁশি বাজে। কলমটা লেখে ভালো।

কর্তৃকারকে বিভিন্ন বিভক্তির ব্যবহার

ক) প্রথমা শূন্য বা অ বিভক্তি : হামিদ বই পড়ে।

খ) দ্বিতীয়া বা কে বিভক্তি : বশিরকে যেতে হবে।

গ) তৃতীয়া বা দ্বারা বিভক্তি : ফেরদৌসী কর্তৃক শাহনামা রচিত হয়েছে।

ঘ) ষষ্ঠী বা র বিভক্তি : আমার যাওয়া হয়নি।

ঙ) সপ্তমী বা এ বিভক্তি : গাঁয়ে মানে না, আপনি মোড়ল। বাপে না জিজ্ঞাসায়, মায়ে না সম্ভাষে।

o বাঘে-মহিষে খানা একঘাটে খাবে না।

  • য়–বিভক্তি : ঘোড়ায় গাড়ি টানে।
  • তে– বিভক্তি : গরুতে দুধ দেয়। বুলবুলিতে ধান খেয়েছে খাজনা দিব কীসে?
  • যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে।
  • কর্ম দুই প্রকার : মুখ্যকর্ম ও গৌণকর্ম। যেমন : বাবা আমাকে (গৌণকর্ম) একটি কলম (মুখ্যকর্ম) কিনে দিয়েছেন।
  • সাধারণত মুখ্যকর্ম বস্তুবাচক ও গৌণকর্ম প্রাণিবাচক হয়ে থাকে। এছাড়াও সাধারণত কর্মকারকের গৌণকর্মে বিভক্তি যুক্ত হয় আর মুখ্যকর্মে হয় না।

করণ কারকে বিভিন্ন বিভক্তির ব্যবহার

ক) প্রথমা বা শূন্য বা অ বিভক্তি (অকর্মক ক্রিয়া) : ছাত্ররা বল খেলে।

ডাকাতেরা গৃহস্বামীর মাথায় লাঠি মেরেছে। (সকর্মক ক্রিয়া)

খ) তৃতীয়া বা দ্বারা বিভক্তি : লাঙ্গল দ্বারা জমি চাষ করা হয়।

দিয়া বিভক্তি : মন দিয়া কর সবে বিদ্যা উপার্জন।

ষষ্ঠী বিভক্তি : আত্মার সম্পর্কই আত্মীয় একবার চোখের দেখা দেখবো বলে। যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন।

সপ্তমী বিভক্তি বা এ বিভক্তি : ফুলে ফুলে ঘর ভরেছে। শিকারি বিড়াল গোঁফে চেনা যায়। জাহাজে সাগর পার হওয়া যায়। ফুলে ফুলে ঘরে ভরেছে।

তে বিভক্তি : এত শঠতা, এত যে ব্যথা /তবু যেন তা মধুতে মাখা (কাজী নজরুল ইসলাম)।

লোকটা জাতিতে বৈষ্ণব। জটাতে তাপস চেনা যায়।

  • য় বিভক্তি : চেষ্টায় সব হয়। এ সুতায় কাপড় হয় না। টাকার অসাধ্য সাধন হয়।
  • খেলার উপকরণ বুঝালে হবে করণ কারক। যেমন : ছেলেরা বল খেলে।
  • কিন্তু উপকরণ না বুঝালে সরাসরি খেলার নাম বুঝালে তা হলে কর্ম। যেমন ছেলেরা ক্রিকেট খেলে।
  • তবে যে সকল খেলার নাম ও উপকরণের নাম একই সেসব ক্ষেত্রে কারক হবে কর্ম। যেমন : বাস্কেটবল,ফুটবল ,দড়ি খেলা।
  • যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে দান, অর্চনা, সাহায্য ইত্যাদি করা হয় তাকে (সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী) সম্প্রদান কারক বলে। বস্তু নয়–ব্যক্তিই সম্প্রদান কারক।
  • (অনেক বৈয়াকরণ বাংলা ব্যাকরণে সম্প্রদান কারক স্বীকার করেন না, কারণ, কর্মকারক দ্বারাই সম্প্রদান কারকের কাজ সুন্দরভাবে সম্পাদন করা যায়। সম্প্রদান কারকে বিভিন্ন
  • বিভক্তির ব্যবহার:

  • ক) চতুর্থী বা কে বিভক্তি : ভিখারিকে ভিক্ষা দাও। গরিবকে কাপড় দাও ।

স্বত্বত্যাগ করে না দিলে কর্মকারক হবে।

যেমন : ধোপাকে কাপড় দাও।

খ) সপ্তমী বা এ বিভক্তি : সৎপাত্রে কন্যা দান কর। সমিতিতে চাঁদা দাও।

গৃহহীনে গৃহ দিলে আমি থাকি ঘরে।

বলাতক দাসে দাও স্বাধীনতা ।

অন্ধজনে দেহ আলো, মৃতজনে দেহ প্রাণ।

  • আবার ,
  • চাকরির কারণে বাংলাদেশ গেলাম – কর্মে চতুর্থী
  • সমিতিকে চাঁদা দাও – সম্প্রদানে ৭মী ( গরীবকে দান করার জন্য সমিতি তৈরি )
  • সন্ত্রাসীকে চাঁদা দাও – কর্মে ৭মী
  • বিশেষ দ্রষ্টব্য বা জ্ঞাতব্য : নিমিত্তার্থে ‘কে’ বিভক্তি যুক্ত হলে সেখানে চতুর্থী বিভক্তি হয়। যেমন :‘বেলা যে পড়ে এল, জলকে চল।’
  • যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয় তাকেই অপাদান কারক বলে।
  • যেমন:
    • বিচ্যুত : গাছ থেকে পাতা পড়ে। মেঘ থেকে বৃষ্টি পড়ে। ছাদ থেকে পানি পড়ে ।
    • গৃহীত : শক্তি থেকে মুক্তো মেলে। দুধ থেকে দই হয়।
    • জাত : জমি থেকে ফসল পাই। খেজুর রসে গুড় হয়।
    • বিরত : পাপে বিরত হও।
    • দূরীভূত : দেশ থেকে পঙ্গপাল চলে গেছে।
    • রক্ষিত : বিপদ থেকে বাঁচাও।
    • আরম্ভ : সোমবার থেকে পরীক্ষা শুরু।
    • ভীত : বাঘকে ভয় পায় না কে?
  • অপাদান কারকে বিভিন্ন বিভক্তি ছাড়াও হইতে, হতে, থেকে, দিয়া, দিয়ে ইত্যাদি অনুসর্গ ব্যবহৃত হয়।
  • অপাদান কারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়োগ

ক) প্রথমা বা শূন্য বা অ বিভক্তি : বোঁটা-আলগা ফল গাছে থাকে না। মনে পড়ে সেই জ্যৈষ্ঠ দুপুরে পাঠশালা পলায়ন।

খ) দ্বিতীয়া বা কে বিভক্তি : বাবাকে বড্ড ভয় পাই।

গ ) পঞ্চমী বিভক্তি : চাল থেকে ভাত হয়। ভাত থেকে জাউ হয়।

ঘ ) ষষ্ঠী বা এর বিভক্তি : যেখানে বাঘের ভয় সেখানে সন্ধ্যে হয়।

ঙ) সপ্তমী বা এ বিভক্তি : বিপদে মোরে করিবে ত্রাণ, এ নহে মোর প্রার্থনা। লোকমুখে শুনেছি। তিলে তৈল হয়।

  • য়–বিভক্তি : টাকায় টাকা হয়।
  • বিভিন্ন অর্থে অপাদানের ব্যবহার

ক) স্থানবাচক : তিনি চট্টগ্রাম থেকে এসেছেন।

Here is the transcription of the provided document images, continuing from the previous pages:

খ) দূরত্বজ্ঞাপক : ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম দুশো কিলোমিটারেরও বেশি।

গ) নিক্ষেপ : বিমান থেকে বোমা ফেলা হয়েছে।

  • ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে। অধিকরণ কারকে সপ্তমী অর্থাৎ ‘এ’ ‘য়’ ‘তে’ ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়। যেমন : আধার (স্থান) : আমরা রোজ স্কুলে যাই। এ বাড়িতে কেউ নাই। কাল (সময়) : প্রভাতে সূর্য ওঠে।
  • অধিকরণ কারক তিন প্রকার। যেমন : কালধিকরণ, আধারাধিকরণ ও ভাবাধিকরণ
  • কালমানেহয়।সময়বুঝালেকালাধিকরণহবে।যেমন:প্রভাতেসূর্যওঠে।
    • সকাল ,ভোর,রাত ,সেকেন্ড , মিনিট , ঘন্টা , গ্রীষ্মকাল , শীতকাল , রোজ , আজ , কাল , গতকাল এসব বুঝালে কালাধিকরণ।
  • যদি কোনো ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য অন্য ক্রিয়ার কোনোরূপ ভাবের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে তবে তাকে ভাবাধিকরণ বলে। ভাবাধিকরণে সর্বদাই সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগ হয় বলে একে ভাবে সপ্তমী বলা হয়। যেমন : সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়। কান্নায় শোক মন্দীভূত হয়।
  • আধারাধিকরণ তিন ভাগে বিভক্ত : ১. ঐকদেশিক ২. অভিব্যাপক ৩. বৈষয়িক

১. ঐকদেশিক আধারাধিকরণ কারক

  • বিশাল স্থানের যে কোনো অংশে ক্রিয়া সংঘটিত হলে তাকে ঐকদেশিক আধারাধিকরণ বলে। যেমন : পুকুরে মাছ আছে (পুকুরের যে কোনো একস্থানে)। বনে বাঘ আছে। (বনের যে কোনো এক অংশে)। আকাশে চাঁদ উঠেছে। (আকাশের কোনো এক অংশে)
  • সামীপ্য অর্থেও ঐকদেশিক আধারাধিকরণ হয়। যেমন : ঘাটে নৌকা বাঁধা আছে। (ঘাটের কাছে)। ‘দুয়ারে দাঁড়ায়ে প্রার্থী, ভিক্ষা দেহ তারে (দুয়ারের কাছে), রাজার দুয়ারে হাতি বাঁধা।

২. অভিব্যাপক আধারাধিকরণ কারক

  • উদ্দিষ্ট বস্তু যদি সমগ্র আধার ব্যাপ্ত করে বিরাজমান থাকে, তবে তাকে অভিব্যাপক আধারাধিকরণ বলে। যেমন : তিলে তৈল আছে। (তিলের সারা অংশব্যাপী)। নদীতে পানি আছে। (নদীর সমস্ত অংশ ব্যাপ্ত করে) পুকুরে কাদা আছে।

৩. বৈষয়িক আধারাধিকরণ কারক

  • বিষয় বিশেষে বা কোনো বিশেষ গুণে কারও কোনো দক্ষতা বা ক্ষমতা থাকলে সেখানে বৈষয়িক আধারাধিকরণ হয়। যেমন : রাকিব অঙ্কে কাঁচা কিন্তু ব্যাকরণে ভালো। আমাদের সেনারা সাহসে দুর্জয়, যুদ্ধে অপরাজেয়। রকি বাংলায় কাঁচা।
  • অধিকরণ কারকে অন্যান্য বিভক্তি

ক) প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি : আমি ঢাকা যাব। বাবা বাড়ি নাই।

খ) তৃতীয়া বিভক্তি : খিলিপান (এর ভিতরে) দিয়ে ওষুধ খাবে।

গ) পঞ্চমী বিভক্তি : বাড়ি থেকে নদী দেখা যায়।

ঘ) সপ্তমী বা তে বিভক্তি : এ বাড়িতে কেউ নাই।

  • অধিকরণেঅনুসর্গেরব্যবহার
    • ঘরের মধ্যে কে রে? তোমার আসন পাতিব হাটের মাঝে।
  • বিভিন্ন কারকে শূন্যবিভক্তি

ক) কর্তৃকারকে : রহিম বাড়ি যায়।

খ) কর্মকারকে : ডাক্তার ডাক।

গ) করণে : ঘোড়াকে চাবুক মার।

ঘ) অপাদানে : গাড়ি স্টেশন ছাড়ে।

ঙ) অধিকরণে : সারারাত বৃষ্টি হয়েছে।

  • বিভিন্ন কারকে সপ্তমী বা এ বিভক্তি

ক) কর্তৃকারকে : লোকে বলে। পাগলে কী না বলে।

খ) কর্মকারকে : এ অধীনে দায়িত্বভার অর্পণ করুন।

গ) করণে : এ কলমে ভালো লেখা হয়।

ঘ) অপাদানে : আমি কি ডরাই সখি ভিখারি রাঘবে?

ঙ) অধিকরণে : এ দেহে প্রাণ নাই।

  • ক্রিয়াপদের সঙ্গে সম্পর্ক না রেখে যে নামপদ বাক্যস্থিত অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হয় তাকে সম্বন্ধ পদ বলে। যেমন : মতিনের ভাই বাড়ি যাবে। এখানে ‘মতিনের’ সঙ্গে ‘ভাই’-এর সম্পর্ক আছে কিন্তু ‘যাবে’ ক্রিয়ার সাথে সম্বন্ধ নাই।
  • বিশেষ দ্রষ্টব্য বা জ্ঞাতব্য : ক্রিয়ার সঙ্গে সম্বন্ধ পদের সম্বন্ধ নাই বলে সম্বন্ধ পদকে কারক বলা হয় না।
  • সম্বন্ধ পদের বিভক্তি

ক) সম্বন্ধ পদে ‘র’ বা ‘এর’ বিভক্তি যুক্ত হয়ে থাকে। যথা : আমি+র=আমার (ভাই), খালিদ+এর=খালিদের (বই)।

খ) সময়বাচক অর্থে সম্বন্ধ পদে কার> কের বিভক্তি যুক্ত হয়। যেমন :

  • আজ+কার=আজিকার, আজকের (কাগজ)
  • পূর্বে+কার = পূর্বেকার (ঘটনা)
  • কালি+কার=কালিকার>কালকার>কালকের (ছেলে)

কিন্তু ‘কাল’ শব্দের উত্তর শুধু ‘এর’ বিভক্তিই যুক্ত হয়। যেমন : কাল+এর=কালের। বাক্য : সে কত কালের কথা।

সম্বন্ধ পদের প্রকারভেদ

  • সম্বন্ধ পদ বহু প্রকারের হতে পারে। যেমন :

ক) অধিকার সম্বন্ধ : রাজার রাজ্য, প্রজার জমি

খ) জন্ম–জনক সম্বন্ধ : গাছের ফল, পুকুরের মাছ

গ) কার্যকারণ সম্বন্ধ : অগ্নির উত্তাপ, রোগের ক

ঘ) উপাদান সম্বন্ধ : রূপার থালা, সোনার বাটি

ঙ) গুণ সম্বন্ধ : মধুর মিষ্টতা, নিমদের তিক্ততা

চ) হেতু সম্বন্ধ : ধনের অহংকার, রূপের দেমাক

ছ) ব্যাপ্তি সম্বন্ধ : রোজার ছুটি, শরতের আকাশ

জ) ক্রম সম্বন্ধ : পাঁচের পৃষ্ঠা, সাতের ঘর

ঝ) অংশ সম্বন্ধ : হাতির দাঁত, মাথার চুল

ঞ) ব্যবসায় সম্বন্ধ : পাটের গুদাম, আদার ব্যাপারি

ট) ভগ্নাংশ সম্বন্ধ : একের তিন, সাতের পাঁচ

ঠ) কৃতি সম্বন্ধ : নজরুলের অগ্নিবীণা, মাইকেলের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’

ড) আধার– আধেয় : বাটির দুধ, শিশির ওষুধ

ঢ) অভেদ সম্বন্ধ : জ্ঞানের আলোক, দুঃখের দহন

ণ) উপমান–উপমেয় সম্বন্ধ : ননীর পুতুল, লোহার শরীর

ত) বিশেষণ সম্বন্ধ : সুখের দিন, যৌবনের চাঞ্চল্য

থ) নির্ধারণ সম্বন্ধ : সবার সেরা, সবার ছোট

১. কর্তৃ সম্বন্ধ : রাজার হুকুম।

২. কর্ম সম্বন্ধ : প্রভুর সেবা, সাধুর দর্শন

৩. কারক সম্বন্ধ : চোখের দেখা, হাতের লাঠি

৪. অপাদান সম্বন্ধ : বাঘের ভয়, বৃষ্টির পানি

৫. অধিকরণ সম্বন্ধ : ক্ষেতের ধান, দেশের লোক

  • ‘সম্বোধন’ শব্দটির অর্থ আহ্বান। যাকে সম্বোধন বা আহ্বান করে কিছু বলা হয় তাকে সম্বোধন পদ বলে। যেমন : ওহে মাঝি, আমাকে পার করো। সুমন, এখানে এসো।
  • বিশেষদ্রষ্টব্যবাজ্ঞাতব্য:সম্বোধনপদবাক্যেরঅংশ।কিন্তুবাক্যস্থিতক্রিয়াপদেরসঙ্গেকোনোসম্বন্ধথাকেনাবলেসম্বোধনপদকারকনয়।
    • অনেক সময় সম্বোধন পদের পূর্বে ওগো, ওরে, হে, ওগো, অয়ি প্রভৃতি অব্যয়বাচক শব্দ বসে সম্বোধনের সূচনা করে। যেমন : ‘ওগো, তোরা জয়ধ্বনি কর!’ ‘ওরে, আজ তোরা যাসনে ঘরের বাহিরে।‘ ‘অয়ি নিরমল উষা, কে তোমাকে নিরমিল?’
    • অনেক সময় সম্বন্ধসূচক অব্যয়টি কেবল সম্বোধন পদের কাজ করে থাকে।
    • সম্বোধন পদের পরে অনেক বিস্ময়সূচক চিহ্ন স্থানে কমা (,) চিহ্নের প্রয়োগই বেশি হয়। যেমন : ওরে খোকা, যাবার সময়ে একটা কথা শুনে যাস্।
  • বাংলাভাষায়যেঅব্যয়শব্দগুলোকখনোস্বাধীনপদরূপেআবারকখনোশব্দবিভক্তিরন্যায়বাক্যেব্যবহৃতহয়েবাক্যেরঅর্থপ্রকাশেসাহায্যকরেতাদেরঅনুসর্গবাকর্মপ্রবচনীয়বলে।অনুসর্গগুলোকখনোপ্রাতিপদিকেরপরেব্যবহৃতহয়আবারকখনো‘কে’ও‘র’বিভক্তযুক্তশব্দেরপরেবসে।যেমন:
    • বিনা : দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? (প্রাতিপদিকের পরে)
    • সনে : ময়ূরীর সনে নাচিছে ময়ূর। (ষষ্ঠী বিভক্তিয়ুক্ত শব্দের পরে)
    • দিয়ে : তোমাকে দিয়ে আমার চলবে না। (দ্বিতীয়ার ‘কে’ বিভক্তিয়ুক্ত শব্দের পরে)

অনুসর্গের সংখ্যা

  • বাংলা ভাষায় বহু অনুসর্গ আছে। যেমন : প্রতি, বিনা, বিহনে, সহ, ওপর, অবধি, হেতু, মধ্যে, মাঝে, পরে, ভিন্ন, বই, ব্যতীত, জন্যে, জন্য, পর্যন্ত, অপেক্ষা, সহকারে, তরে, পানে, নামে, মতো, নিকট, অধিক, পক্ষে, দ্বারা, দিয়া, দিয়ে, কর্তৃক, সঙ্গে, হইতে, হতে, থেকে, চেয়ে, পাছে, ভিতর/ভেতর ইত্যাদি।
  • এদের মধ্যে দ্বারা, দিয়া/দিয়ে, কর্তৃক হইতে/হতে, চেয়ে, অপেক্ষা, মধ্যে প্রভৃতি কয়েকটি অনুসর্গ বিভক্তিরূপে ব্যবহৃত হয়। কারক প্রকরণে এদের উদাহরণ সন্নিবিষ্ট হয়েছে।
  • বিনা/বিনে:

    • কর্তৃকারকের সঙ্গে– তুমি বিনা/বিনে কে আমার আছে?
  • বিনি: করণ কারকের সঙ্গে-বিনি সুতায় গাঁথা মালা।
    • বিহনে : উদ্যম বিহনে কার পুরে মনোরথ?
  • সহ:সহগামিতাঅর্থে– তিনি পুত্রসহ উপস্থিত হলেন।

    • সহিত : সমসূত্রে অর্থে – শত্রুর সহিত সন্ধি চাই না।
    • সনে : বিরুদ্ধগামিতা অর্থে – দংশনক্ষত শ্যেন বিহঙ্গ যুধে ভুজঙ্গ সনে।
    • সঙ্গে : তুলনায় – মায়ের সঙ্গে এ মেয়ের তুলনা হয় না।
  • অবধি:পর্যন্তঅর্থে– সন্ধ্যা অবধি অপেক্ষা করব।
    • পরে :
      স্বল্প বিরতি অর্থে – এ ঘটনার পরে আর এখানে থাকা চলে না।
    • পর : দীর্ঘ বিরতি অর্থে – শরতের পরে আসে বসন্ত।
  • পানে : প্রতি, দিকে অর্থে – ঐ তো ঘর পানে ছুটেছেন। শুধু তোমার মুখের পানে চাহি বাহির হনু।
  • মতো:ন্যায়অর্থে– বেকুবের মতো কাজ করো না।
    • তরে : মত অর্থে – এ জন্মের তরে বিদায় নিলাম।
  • পক্ষে:
    • সক্ষমতা অর্থে – রাজার পক্ষে সব কিছুই সম্ভব।
    • সহায় অর্থে – আসামির পক্ষে উকিল কে?
  • মাঝে:
    • মধ্যে অর্থে – সীমার মাঝে অসীম তুমি।
    • ঐকদেশিক অর্থে – এ দেশের মাঝে একদিন সব ছিল।
    • ক্ষণকাল অর্থে – নিমেষ মাঝেই সব শেষ।
    • মাঝারে : ব্যাপ্তি অর্থে – আছ তুমি প্রভু, জগৎ মাঝারে।
  • কাছে:নিকটেঅর্থে– আমার কাছে আর কে আসবে?
    • কর্মকারকে ‘কে’ বোঝাতে – রাখাল শুধায় আসি ব্রাহ্মণের কাছে।
  • প্রতি:
    • প্রত্যেক অর্থে – মণপ্রতি পাঁচ টাকা লাভ দেব।
    • দিকে বা ওপর অর্থে– নিদারুণ তিনি অতি, নাহি দয়া তব প্রতি।
  1. হেতু : নিমিত্ত অর্থে – কী হেতু এসেছ তুমি, কহ বিস্তারিত।
  • জন্যে:নিমিত্তঅর্থে– এ ধন-সম্পদ তোমার জন্যে।
    • সহকারে: সঙ্গে অর্থে – আগ্রহ সহকারে কহিলেন।
    • বশত : কারণে অর্থে – দুর্ভাগ্যবশত সভায় উপস্থিত হতে পারি নি।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কারক

  1. দশেমিল করি কাজ – কর্তায় ৭মী
  2. রাকিবকে যেতে হবে – কর্তায় ২য়া
  3. ধোপায় কাপড় কাচে – কর্তায় ৭মী
  4. বাদল সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলো – কর্তায় শূন্য
  5. জল পড়ে,পাতা নড়ে – কর্তায় ৭মী
  6. টাকায় টাকা আনে – কর্তায় ৭মী
  7. ঘরেতে ভ্রমর এলো গুণ গুণিয়ে – কর্তায় শূন্য
  8. আমার যাওয়া হয়নি – কর্তায় ষষ্ঠী
  9. টাকার লোভ ভালো নয় – কর্মে ষষ্ঠী
  10. ট্রেন অনেক আরাম দায়ক যানবাহন – কর্মে শূন্য
  11. তাহাকে কি তোমার মনে পড়ে – কর্মে ৩য়া
  12. ধানতে তৈরি হয় চিড়ে – অপাদানে ৭মী
  13. দিনে দিনে শুধু বাড়িতেছে দেনা – অধিকরণে ৭মী
  14. ছবিটা তুলি রঙে আঁকা – করণে সপ্তমী
  15. ক্রোধ থেকে জন্মে মোহ – অপাদানে ৫মী
  16. তোমারে সঁপীনু মোর যারা কিছু আছে – সম্প্রদানে চতুর্থী
  17. দেশের জন্য প্রাণ দিতেও রাজি আছি – সম্প্রদানে চতুর্থী
  18. বিপদে মোরে রক্ষা করো – অপাদানে ৭মী
  19. সরোবরে পদ্ম ফোটে – অধিকরণে সপ্তমী
  20. হে প্রাণপ্রিয় , তুমি কি শুনিতে পাও – সম্বোধনে শূন্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *